1. info@dainikashardigonto.com : দৈনিক আশার দিগন্ত : দৈনিক আশার দিগন্ত
  2. info@www.dainikashardigonto.com : দৈনিক আশার দিগন্ত :
শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়া শিবগঞ্জের মাঠ গরম মটর সাইকেল মার্কার অফিস ভাংচুর বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নাগরপুর উপজেলা শাখার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ পলাশবাড়ীতে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি আমিনুল ইসলাম রানা, সম্পাদক আজাদুল ইসলাম সাবু নির্বাচিত সরিষাবাড়ীতে কার্যালয়ে ঢুকে ইউপি সদস্যকে মারধরের ঘটনার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত কেশবপুরে মাদক সম্রাট আলমগীরের স্ত্রী ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার বগুড়ার শেরপুরে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন বিচ্ছিন্নতা বগুড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ৮ টাকা কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স দ্বারা লাঞ্ছিত ও সেবায় অবহেলিত রোগী”অভিযোগের শেষ নেই

বাংলাদেশে সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সড়কপথে দেশে ফিরলেন ভুটানের রাজা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

কাজী মোস্তফা রুমি,বিশেষ প্রতিনিধিঃ

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ধরলা সেতুর পূর্ব প্রান্তে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত স্থান ও সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে নিজ দেশে ফিরলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ভুটানের রাজা ১৪ সদস্যের সফর সঙ্গী নিয়ে সকালে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে অবতন করেন। পরে সড়ক পথে দুপুর পৌনে ১২টায় কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে পৌছেন। সেখানে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে দুপুর দেড়টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।পরে তিনি সড়ক পথে জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন শেষ করে বেলা পৌনে ৩ টার সময় ভারত হয়ে ভুটানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন ।এ দিকে ভুটানের রাজার কুড়িগ্রাম সফরের বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ও ব্যবসায়ীরা।আর ভুটানের রাজার আগমনকে ঘিরে ভুটানের মহামহিম রাজা কুড়িগ্রাম জেলা পরিদর্শন এবং সোনাহাট স্থলবন্দরে বিজিবি কর্তৃক রাষ্ট্রীয় চৌকস গার্ড অব অনার ও নিরাপত্তা প্রদান সহ সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। ধরলা নদীর পুর্ব পাড়ে ২১৯ একর জমির উপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল।শিল্পায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে আগামী এক দশকের মধ্যে কুড়িগ্রাম এই অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষ জেলা হবে। সব মিলিয়ে অনন্য রোডম্যাপে উঠতে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম। নদ-নদী ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত এই জেলায় কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানাসহ শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শুধু ভুটান ও বাংলাদেশ নয়, এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম চালু হলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি ভারতের সেভেন সিস্টার্স খ্যাত অঞ্চলগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এ সময় তথ্যমন্ত্রী এম,এ আরাফাত, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য ডাঃ হামিদুল হক খন্দকার, সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ ও পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার শফিকুজ্জামান, কর্নেল মামুনুর রশীদ, লেঃ কর্নেল মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২০১৫ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে এক জনসভায় এ জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ভুটানের রাজার ৪ দিনের ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিন ২৫ মার্চ সোমবার ঢাকায় কুড়িগ্রামে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
𝐂𝐫𝐚𝐟𝐭𝐞𝐝 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐛𝐲: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓