1. info@dainikashardigonto.com : দৈনিক আশার দিগন্ত : দৈনিক আশার দিগন্ত
  2. info@www.dainikashardigonto.com : দৈনিক আশার দিগন্ত :
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন

ধুনটে লাইসেন্স বিহীন ভ্রাম্যমান তেলের পাম্পে আগুন লেগে পুড়ে ছাই স্বামী স্ত্রীসহ তিন জন দগ্ধ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার সোনাহাটা চার মাথা সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় একটি জ জ্বালানি ভ্রাম্যমান তেলের পাম্পে আগুন লেগে সবকিছু পুড়ে ছাই , তিনজন দগ্ধ এক জনের অবস্থা আশাঙ্কাজনক।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাঘাবাড়ি এলাকার নিরব শেখ ও সবুজ শেখ স্থানীয় প্রশাসনককে ম্যানেজ করে সোনাহাটা সিএনজি ষ্ট্যান্ডের দক্ষিন পাশে দির্ঘ দিন থেকে লাইসেন্স বিহীন ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন, মবিল ও এলপিজি গ্যাস বিক্রি করে আসছিল। ওই দোকানের সাথেই ছিল তাদের বসত বাড়ি। গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে সন্ধ্যায় ইফতারি তৈরি করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার রিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সুত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে বাড়িসহ সমস্ত ভ্রাম্যমান তেলের পাম্পে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় নিরব শেখ, সবুজ শেখ ও নিরব শেখের স্ত্রী মিথিলা আগ্নি দগ্ধ । ধুনট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে ব্যার্থ হলে গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একত্রিত হয়ে তিন ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ফায়ার সার্ভিস ধুনট উপজেলার ষ্টেশন মাষ্টার হামিদুল ইসলাম বলেন, সোনাহাটা ভ্রাম্যমান তেলের পাম্পে এক হাজার লিটার ওজনের পানির ট্যাংকিতে তেল মুজুদ করে পাইপ ও ট্যাপ সেট করে দির্ঘদিন ধরে ঝুকিপুর্ন পরিবেশে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হতো। নিমগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোনিতা নাসরিন রিপন বলেন, ওই জ্বালানি ভ্রাম্যমান তেলের পাম্পের লাইসেন্স না থাকায় আমি তাদের ট্রেড লাইন্সেন দেই নি। ঝুকিপুর্ন পরিবেশে জ্বালানি তেল সহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ বিক্রি করতে একাধিক বার নিষেধ করা হয়েছে।ধুনট উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক এম,এ রাশেদ বলেন, লাইন্সেন বিহিন সোনাহাটা তেল ঘরে একই সাথে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, মোবিল ও এলপিজি গ্যাস অত্যন্ত ঝুকিপুর্প পরিবেশে ক্রয় বিক্রিয় হতো তাদের ছিল না কোন আগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা। রাস্তার পাশে ঝুকিপুর্ন পরিবেশে এভাবে জ জ্বালানি তেল সহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি বন্ধের জন্য আমরা প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তারা ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি)’র নিকট লিখিত অভিযোগ ও করেছিলাম কিন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি। এঘটানার দুই মাস পরে অবৈধ ওই তেল ঘরে আগুন লেগে সব কিছু পড়ে ছাই হয়েছে।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সৈকত হাসান বলেন, আমি এবং ইউএনও স্যার মোবাইল কোট পরিচালনা করেছি। তাদের কাগজ পত্র বৈধতা থাকায় কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই।জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আশিক খান বলেন, আসলে আমার করার কিছু ছিল না তাই কোন ব্যবস্থা নিতে পারি নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
𝐂𝐫𝐚𝐟𝐭𝐞𝐝 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐛𝐲: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓